1. খোঁজ
  2. ৩০টি ভাষার মধ্যে বেছে নিন

 
 
 

 

চলতি ঘটনা  | 06.07.2008

জি-এইট শীর্ষবৈঠকে আলোচ্য বিষয় হবে আবহাওয়া, জ্বালানী শক্তি এবং খাদ্য

বিশ্বের সাতটি অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ এবং রাশিয়ার তিনদিনব্যাপী শীর্ষবৈঠক শুরু হচ্ছে সোমবার উত্তর জাপানের টোইয়াকোয়৷ যথারীতি প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তব ফলাফলের ফারাক থাকবে, কিন্তু কতোটা, তাই নিয়েই প্রশ্ন৷

হোক্কাইডো দ্বীপের নামী-দামী উইন্ডসর হোটেলের ধারে কাছে যাতে বিক্ষোভকারী কিংবা এই অঞ্চলের ভালুকরা গোলযোগ বাঁধাতে না পারে, তার ব্যবস্থা করছে ২১,০০০ পুলিশ৷ কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাষ্ট্র- তথা সরকারপ্রধানেরা চাপে পড়েছেন অন্য কারণে৷ সেটা হল বিশ্বের জনগণের প্রত্যাশার চাপ৷ বিশ্ববাসী চায় ভালো ভালো সদিচ্ছার পরিবর্ত্তে বাস্তব সমস্যার সমাধান৷ মুশকিল এই, যে সেজন্য হয়তো জি-এইটের পরিধিই ক্রমশঃ বড় ছোট হয়ে পড়ছে৷ যে কারণে ফরাসী প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজ়ি ইতিমধ্যেই সাবধান করে দিয়েছেন, যে ভবিষ্যতে জি-এইটের গুরুত্ব রক্ষা করতে গেলে চীন এবং ভারতের মতো ওজনদার দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন৷ মজার কথা, চীন এবং ভারতের নেতারা জি-এইট শীর্ষবৈঠকে আসছেন বটে, কিন্তু তথাকথিত আউটরীচ গোষ্ঠীর অঙ্গ হয়ে, যেখানে জাতিসঙ্ঘ এবং বিশ্বব্যাঙ্কও স্থান পেয়ে থাকে৷

 

ঘটিতব্য

 

এক্ষেত্রে জাপানী পত্র-পত্রিকাগুলির কল্যাণেই জল্পনা-কল্পনা এখনও সজীব এবং সতেজ৷ যথা ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী এ-ধরণের খাদ্যসঙ্কটের মোকাবিলা করার জন্য সংগঠিতভাবে খাদ্যশস্য মজুত করার একটি পরিকল্পনা, যা নিয়ে নাকি পৃথক চূড়ান্ত ঘোষণা প্রত্যাশা করা যেতে পারে৷

 

আবহাওয়ার ক্ষতিকারক গ্যাসগুলির ক্ষেত্রেও নাকি ২০৫০ সালের মধ্যে গ্যাসের নির্গমন অর্ধেক করার লক্ষ্য অপরিবর্তিত থাকবে, তবে তার সঙ্গে যুক্ত হবে প্রতিটি দেশের একটি নিজস্ব টার্গেট, অর্থাত্ সেই দেশ মাঝারী মেয়াদে তার গ্যাসের নির্গমন কমানোর কি পরিকল্পনা করছে, তার একটা ধারণা পাওয়া যাবে৷ সবচেয়ে বড় কথা, আটটি নয়, ১৬টি দেশের নাম এই তালিকায় উঠবে, অর্থাত্ চীন এবং ভারতের নামও৷ বুধবার যদি এই অঘটন সত্যিই ঘটে, তবে ভবিষ্যতে নরম-গরম বিতর্কের একটা ভিত্তি সৃষ্টি হবে বৈকি৷

 

বুশ-বিদায়

 

এটি হবে মার্কিণ প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাবলিউ বুশের শেষ জি-এইট শীর্ষবৈঠক৷ তার অর্থ এই নয়, যে তিনি রাজনৈতিক স্বার্থাস্বার্থ বিস্মৃত হয়ে টোইয়াকো হৃদের প্রাকৃতিক শোভা দেখে সময় অতিবাহিত করবেন৷ রবিবারেই জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়াসুও ফুকুদার সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে বুশ বলেছেন, যে তিনি কার্বন নির্গমন কমানোর ব্যাপারে একটি গঠনমূলক ভূমিকা নেবেন৷ তবে বাস্তববাদী হিসেবে তিনি জানেন, যে চীন ও ভারত এই উচ্চাভিলাষে সহযোগী না হলে, জি-এইটের পক্ষে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়৷ কাজেই তিনি ব্যাপারটা ফুকুদার নেতৃত্বেই ছেড়ে দিচ্ছেন৷ যুক্তরাষ্ট্র যথাসাধ্য সহযোগিতা করবে৷ দেখা যাক কোনো গঠনমূলক ঘোষণায় পৌঁছনো যায় কিনা৷

 

অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

 
এই প্রতিবেদন অন্যদের পাঠান

আমাদের ই-মেল পাঠানঅন্যদের পাঠানপ্রিন্ট করুন

Weitere Schlagzeilen



 

DW-TV EUROPE live

Journal (deutsch) - Mit Tagesthema