চলতি ঘটনা | 16.07.2008
ইউরোপে বন জাতিসংঘের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রস্থল: বান কি মুন
আন্তর্জাতিক সংঘাত নিরসনে জার্মানির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন৷ বার্লিনে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্রানত্স্ ইয়োজেফ ইউং-এর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বন শহরে জাতিসংঘ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন৷
জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউং-এর সঙ্গে আলোচনাশেষে মহাসচিব বান কি মুন বলেছেন, জাতিসংঘের জন্য জার্মানি সব সময় এক জোরালো সহযোগী হয়ে আছে৷ তবে তিনি বিশেষ করে আফগানিস্তানে জার্মান সংশ্লিষ্টতার প্রশংসা করেছেন৷
Bildunterschrift: Großansicht des Bildes mit der Bildunterschrift: বন শহরে বান কি মুনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার শিশুরাএকই সঙ্গে তিনি ইসরায়েল আর লেবাননের শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ-র মধ্যে বন্দী বিনিময়ে জার্মান সরকারের মধ্যস্থতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন৷ বান বলেন, জার্মান মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে জাতিসংঘ এ ব্যাপারে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে৷ এবং এই কাজ সবিশেষ প্রশংসার যোগ্য৷ বান আরো বলেন, মানবিক দিক থেকে এই বন্দী বিনিময় বিশেষ এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ৷
প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইউং জোর দিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জার্মানি তার সংশ্লিষ্টতা বহাল রাখবে এবং জাতিসংঘের সঙ্গে সহযোগিতাও সে জোরদার করবে৷ তিনি ও মহাসচিব বান এই মর্মে একমত হন যে আফগানিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের প্রশিক্ষণের কাজ আরো জোরেশোরে চালাতে হবে৷ যাতে তার পক্ষে নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করা সম্ভব হয়৷
সফরের প্রথম পর্বে বান কি মুন বার্লিনে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল-এর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য বিরোধ, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি ও অন্যান্য চলতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন৷ তাঁর জার্মানি সফরের সমাপ্তি টেনেছেন বান বন শহরে বুধবার (১৬.০৭.০৮)৷ পৌরভবনের গোল্ডেন বুকে সই করেছেন তিনি৷ তারপর ডয়চে ভেলে ভবন সংলগ্ন জাতিসংঘ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন৷ এক সময় এখানেই ছিল জার্মান সাংসদদের অফিসভবন৷ প্রসঙ্গত বান বলেন, ইউরোপে জার্মানি হল জাতিসংঘের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রস্থল৷
নর্থ রাইন ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের ইন্টিগ্রেশন বিষয়ক মন্ত্রী আর্মিন লাশেট আশা প্রকাশ করেন যে বন শহরে জাতিসংঘের আরো কিছু প্রতিষ্ঠান এসে জায়গা নিক৷ বর্তমানে এই শহরে জাতিসংঘের ১৭টি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০০ কর্মী কাজ করছেন৷ এই সব অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে রয়েছে জলহাওয়ার পরিবর্তন সংক্রান্ত সেক্রেটারিয়েট, মরুকরণরোধ কনভেনশন সেক্রেটারিয়েট৷ বন-এর জাতিসংঘ ক্যাম্পাসে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মৌল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী স্থায়ী উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা৷














