1. খোঁজ
  2. ৩০টি ভাষার মধ্যে বেছে নিন


 

চলতি ঘটনা  | 18.07.2008

বন্দীবিনিময় কিন্তু বিরোধের সমাধান নয়

ইসরায়েল তার নিহত সৈনিকদের সমাধিস্থ করল৷ হিজ়বোল্লার বন্দীরা লেবাননে পেল বিজয়ীর সম্বর্ধনা৷ সংঘাত সংঘাতই রইল৷

এটা এখন প্রমাণিত বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে, যে এহুদ গোল্ডওয়াসার এবং এলদাদ রেগেভ ২০০৬ সালের ১২ই জুলাই হিজ়বোল্লার আন্তঃ-সীমান্ত হামলাতেই নিহত হয়৷ দৃশ্যতঃ ইসরায়েলী সেনাবাহিনীও তা আন্দাজ করতে পেরেছিল৷ তবুও ইসরায়েল তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য উচ্চমূল্য দিল, বিশেষ করে সমির কান্তারকে মুক্তি দিয়ে৷ সমালোচকরা ইতিমধ্যেই বলছে, যে তাহলে গাজ়া ভু-খন্ড হামাসের কবজায়, কিন্তু আজও সম্ভবতঃ জীবিত গিলাড শালিটের জন্য কি মূল্য দিতে হবে কে জানে৷

কেন এই মূল্যদান

ইসরায়েলী প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ় একটি নৈতিক মূল্যবোধের কথা বলেছেন৷ তিনি গিয়েছিলেন উভয় নিহত সৈনিকের পরিবারবর্গের সঙ্গে দেখা করতে৷ অপরদিকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এহুদ বারাক নাহারিয়ায় গোল্ডওয়াসারের পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় সম্পন্ন সমাধি অনুষ্ঠানে অপরাপর সৈনিকদের বললেন, ঈশ্বর না করুন, তোমাদের একজন যদি বন্দীদশায় পতিত হয়, অথবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কিংবা শত্রুর বিরুদ্ধে সংগ্রামে আরো গুরুতর কিছু ঘটে, তাহলে ইসরায়েল রাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সরকার তোমাদের বাড়ী ফিরিয়ে আনার জন্য যা কিছু সম্ভব এবং সমীচিন, তাই করবে৷

অপরপক্ষ

দুই নিহত ইসরায়েলী সৈনিকের কফিন সীমান্তে আনা অবধি হিজ়বোল্লা তারা জীবিত কি মৃত, সে-বিষয়ে নীরব থেকেছে৷ তাদের কাছে এটা বিনিময়ই বটে, এবং সর্ব্বোচ্চ মূল্যে৷ কান্তার স্বয়ং মুক্তি পাবার পর বলেছে, যে সে তার ত্রিশ বছর আগে এবং ১৬ বছর বয়সে কৃতকর্ম সম্পর্কে কোনোরকম অনুতাপ বোধ করে না৷ তাকে দেখা গেছে হিজ়বোল্লার সামরিক উর্দ্দিতে৷ সে বলেছে, যে তার রাজনৈতিক ধ্যানধারণায় কিছুমাত্র পরিবর্তন ঘটেনি৷ সে বলেছে, যে তার রাইফেলের কুঁদো দিয়ে একটি চার বছরের শিশুকে হত্যা করার কাহিনী সম্পূর্ণ সাজানো৷ এবং আজ ৪৬ বছর বয়সে সে হিজ়বোল্লা ও লেবাননীদের হিরো৷

প্রতিপক্ষ

লেবাননের নূতন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জিব্রান বাসিল বৃহস্পতিবার অভিযোগ তুলেছেন, যে ইসরায়েল থেকে লেবাননীদের উপর নাকি টেলিফোন সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে৷ ফোন তুললে একটি টেপ করা কন্ঠ বলছে, এটা ইসরায়েল রাষ্ট্রের বার্তা৷ হিজ়বোল্লাকে ছাড়ো, নয়তো ২০০৬ সালের মতো আবার যুদ্ধ হবে৷ ইসরায়েলী সেনাবাহিনী এই অভিযোগ সম্পর্কে কিছু বলতে অস্বীকার করেছে৷ তবে এক আধিকারিক বলেছেন, যে ইসরায়েল হিজ়বোল্লাকে দুর্বল করার জন্য নানা ধরণের পন্থা অবলম্বন করে থাকে৷

অর্থাত্ বন্দীবিনিময়ের ফলে ক্ষণিকের শোক, উল্লাস, শান্তি ও সমাধি থেকে মূল সংঘাতের সামান্যই উপশম ঘটেছে৷

 

অরুণ শঙ্কর চৌধুরী

 
এই প্রতিবেদন অন্যদের পাঠান

আমাদের ই-মেল পাঠানঅন্যদের পাঠানপ্রিন্ট করুন

Weitere Schlagzeilen



 

DW-TV EUROPE live

Im Focus - Nahaufnahme: Macht Mensch Münte